ভাষার
মৃত্যু ঘটে চোখের পলকে
পেগি মোহন
তখন ১৯৭৮
সাল। আমি সে সময়ে ত্রিনিদাদ
ভোজপুরি ভাষা নিয়ে একটা গবেষণা প্রকল্পে হাত দিয়েছিলাম।
ত্রিনিদাদ ভোজপুরি হল আমার নিজেদের জাতের ভাষা।
আমার উদ্দেশ্য ছিল ভাষামৃত্যুর প্রক্রিয়াটাকে বোঝা। আমার এমন একটা ধারণা ছিল যে
আমি হয়তো একটা ধীর মসৃণ বিলুপ্তির ঢাল দেখতে পাব, ঠিক যে-ধারায় লোকেরা ধীরে ধীরে
তাদের ভাষা ‘ভুলে’ যায়। বিভিন্ন মানুষের মুখ থেকে রেকর্ড করা লম্বা লম্বা বয়ান ব্যবহার
করে আমি একটা পদ্ধতি তৈরি করে নিয়েছিলাম, যা থেকে গণনা
করা যায় যে, বক্তারা কতবার এমন বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করছেন যা ত্রিনিদাদ ভোজপুরিতে
আছে কিন্তু ক্রেওল বা ইংরেজিতে নেই। পরে এই সমস্ত সংখ্যাকে একত্র করে আমি পেতাম
একটা সংখ্যা, যার নাম আমি দিয়েছিলাম ‘কমপিটেন্স স্কোর’।
কিন্তু
ঘটনা হল, আমার আগের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে এই সংখ্যাগুলো থেকে কিন্তু কোনো ধীর,
ধারাবাহিক পতনের ছবি বেরিয়ে এল না। দুটো আলাদা গুচ্ছে
সেগুলো ভাগ হয়ে রইল: দেখা গেল বয়োজ্যেষ্ঠ বক্তারা প্রায় সমান দক্ষ (এবং মনে হয়েছিল
তাঁরা নির্ভেজাল ওই ভাষার মানুষ)—অন্যদিকে তরুণদের কথাবার্তা ছিল শ্লথ, ব্যাকরণের ভুলে ভরা, এবং তেমন কোনো ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্য তাঁদের কথায় কমই দেখা যেত যেগুলোর
কোনো সমতুল শব্দ ক্রেওল বা ইংরেজিতে নেই। আর একটা কথা, এই তরুণদের ওই বয়ঃগোষ্ঠীর
সাধারণ প্রতিনিধি হিসেবেও ভাবা যাবে না। তারা কেবল আমার খুঁজে পাওয়া সেই অল্প
কয়েকজন তরুণ, যারা অন্তত ভাষাটা বলতে পারে। ব্যাপারটা
তাহলে কী হচ্ছে এখানে?
ঠিক এই
সময় নাগাদ হঠাৎই আমার চোখে পড়ল হার্ভার্ডের ইভলিউশনারি বায়োলজিস্ট স্টিফেন জে.
গুল্ডকে নিয়ে লেখা একটা প্রবন্ধ, যিনি
‘পাংচুয়েটেড ইকুইলিব্রিয়া’‑র কথা বলেছিলেন। আমি তাঁকে লিখলাম, আর তিনি তৎক্ষণাৎ তার উত্তর তো দিলেনই, সঙ্গে
পাঠালেন একগুচ্ছ প্রবন্ধ, সেগুলোর মধ্যে
কয়েকটাতে তাঁর সহলেখক ছিলেন নাইলস এলড্রেজ, আমেরিকান মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্টরির অমেরুদণ্ডী প্রাণী বিভাগের
কিউরেটর। জীবাশ্মগুলোর নমুনায় কেন ‘মিসিং লিঙ্ক’—অর্থাৎ মধ্যবর্তী ধাপগুলো—প্রায়ই
গরহাজির থাকে, এই প্রশ্নের উত্তরে এলড্রেজ ও গুল্ড
বিবর্তনীয় পরিবর্তনের গতি‑প্রকৃতিকে নতুনভাবে কল্পনা করেছিলেন। তাঁদের মতে,
বিবর্তন কোনো মসৃণ ঢাল বরাবর এগোয় না; বরং এটা হল দীর্ঘকাল ধরে একটা সুস্থায়ী অবস্থা,
যেখানে প্রজাতিগুলো স্থিতিশীল পরিবেশে মানিয়ে
থাকে, কিন্তু সেই দীর্ঘ নীরবতার মাঝে
হঠাৎই ইকোলজিক্যাল অভিঘাতের কারণে জন্ম নেয় এলোমেলো পরিবর্তনের ক্ষণিক ঝড়—তখন নতুন
প্রজাতির আবির্ভাব ঘটে, আর কিছু পুরোনো প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে
যায়।
এই মডেল
অনুযায়ী প্রজাতির পতন কোনো ধীর ক্ষয় নয়, যেমন হতে
পারত তাদের ভেতরে কিছু গণ্ডগোল দেখা দিলে। বরং তাদের বিলুপ্তি ঘটে বিলকুল সুস্থ
অবস্থাতেই— পরিবেশ এমন দ্রুত ও এমন তীব্রভাবে বদলে যায় যে তারা আর মানিয়ে নিতে
পারে না।
শেষ ডোডো
পাখিটির ক্লান্ত চোখদুটি যেদিন বুজে এসেছিল সেদিন তার জায়গায় কোনো তরুণ প্রজন্মের
সম্ভাবনাও ছিল না—কারণ তার সব ডিম খেয়ে ফেলেছিল এক নতুন শিকারি প্রজাতি: নাবিকদের
বড় বড় জাহাজে চেপে মরিশাসে এসে পৌঁছনো ইঁদুরের দল।
পিজিন
ভাষাগুলো যেমন যেমন আঞ্চলিক মানুষের ঠোঁটে আসতে শুরু করে, সেই অনুসারে মাত্র একটা
প্রজন্মের ভেতরেই ক্রেওল ভাষাগুলো গজিয়ে ওঠে। অর্থাৎ ভাষার বেলাতেও একই ঘটনা ঘটে। যদি
পরবর্তী প্রজন্মের মাতৃভাষা ব্যবহারকারীরা আর তা ব্যবহার না করে, তবে ভাষাটিও এক
প্রজন্মেই বিলুপ্ত হয়ে যায়। ভাষার প্রাণশক্তি আসলে মাতৃভাষায় কথা-বলা মানুষদের
অস্তিত্বের সঙ্গে ওতপ্রোত জড়িত এটা মনে রাখলে হঠাৎই বিদ্যুচ্চমকের মতো ধরা পড়ে,
‘জীবন্ত ভাষা’ আর ‘মৃতপ্রায় ভাষা’—এই শব্দগুলো আর নিছক রূপক নয়। কোনো প্রজন্মে
যেই কোনো একটা ভাষায় কথা-বলতে প্রস্তুত মানুষের আবির্ভাব হয়, অমনি সেই ভাষা পায়
স্ফুলিঙ্গের স্পর্শ, তার জীবনচক্র শুরু হয়, এবং আমাদের প্রিয় শিশুটির মতোই সেই ভাষা তখন নিজের পথ ধরে হাঁটতে
শুরু করে, নিজের স্বভাবে বেড়ে ওঠে, সরাসরি পিতামাতার নিয়ন্ত্রণ আর কাজ করে না।
আর কোনো
ভাষাকে মাতৃভাষা হিসেবে ঠোঁটে নেওয়ার মতো প্রজন্মটি যখন আর থাকে না—কারণ তরুণেরা
তাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে, তখন সে ভাষার মৃত্যু হয়।
অধিকাংশ
ভাষা যাদের সঙ্গে এই জীবনদায়ী শক্তির বিচ্ছেদ ঘটে গেছে, সেগুলি নিঃশব্দে মিলিয়ে
যায়, জীর্ণ হয়। তবুও কখনও‑সখনও— যেমন
ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন বা মাও জে দং‑এর দেহাবশেষের মতো আমরা সেগুলিকে যত্নে সংরক্ষণ করি নিজেদের
অনুপ্রাণিত করার জন্য, যদিও মনে‑মনে জানি, তাঁরা আর
নেই, তাঁরা আর উঠে দাঁড়িয়ে আমাদের নেতৃত্ব দিতে পারবেন না।
এর অর্থ
হল, কেবল কোনো ভাষার বাহ্যিক রূপ বদলানোটাই ভাষামৃত্যু নয়। ‘মৃত্যু’ শব্দটি ইঙ্গিত
করে প্রাণশক্তির ক্ষয়—সেই প্রাণশক্তি, যা
একসময় ওই ভাষাটি পেত তার মাতৃভাষী (native speaker) বক্তাদের কাছ থেকে। মাতৃভাষী বলতে আমরা বুঝি সেই মানুষকে, যে ওই ভাষাটিই প্রথম শিখেছে—শৈশবে, পাঁচ বছর বয়সের আগেই।
শৈশব
থেকে না শিখেও কোনো ভাষা খুব ভালোভাবে বলা যায়—আমাদের অনেকেই এখানে ইংরেজিতে দক্ষ
দ্বিতীয়‑ভাষী বক্তা (second-language speaker)। কিন্তু তবুও একটি পার্থক্য থাকে। দ্বিতীয়‑ভাষী বক্তারা কথায় ‘ভুল’
করছেন— এরকম আমরা বলি যখন প্রকৃত মাতৃভাষীদের ভাষা ব্যবহার থেকে তাঁদের ভাষা
ব্যবহার একটু সরে আসে। অথচ আমরা কিন্তু সেই ভুলগুলোকে ওই ভাষাটির রূপান্তরের
প্রমাণ হিসেবে পড়ি না। কাজেই, মাতৃভাষী বক্তা এবং তাঁদের ভাষা ব্যবহার— সেটাই হল
ভাষার চূড়ান্ত মানদণ্ড, ভাষাটি
আসলে কী, তার কষ্টিপাথর। এই অর্থে ভাবলে,
কেউ যদি পাঁচ বছর বয়সের অনেক পরে সংস্কৃত শিখে
থাকে, তাহলে সে ওই ভাষায় যতই দক্ষ বা সাবলীল হোক, সংস্কৃত তার মাতৃভাষা নয়—কারণ তার আগে অবশ্যই
অন্য কোনো ভাষা সে প্রথমে শিখেছিল।
আর এক
ধাপ এগিয়ে বলা যায়— যে-ভাষায়, শৈশবের অস্ফুট বুলির দিনগুলো থেকে সেটি ব্যবহার করছে
এমন কোনো বক্তাই আর নেই, সেই ভাষা আক্ষরিক অর্থে মৃত। সে কারণেই অমন ভাষাকে ‘সংরক্ষণ’-এর কথা ওঠে।
সে ভাষাগুলোকে আমরা নিজের মতো বেড়ে ওঠার সুযোগ দিই না আর, কারণ তারা যে নিজে
নিজেই মানিয়ে নিয়ে বিকশিত হতে পারবে এমন কোনো ভরসা আর অবশিষ্ট থাকে না। কারণ
আমাদের হাতে যা আছে সেটা… কেবল মৃতদেহ বই আর কী!
ভাষার
ক্ষেত্রে ‘পাংচুয়েটেড ইকুইলিব্রিয়া’ মডেলটা প্রয়োগ করা মানে তাকে একেবারেই ভিন্ন
ধরনের এক পরিসরে স্থাপন করা। ভাষার মৃত্যু তখন আর এমন কিছু থাকে না যেটা জীবনের
বিভিন্ন পর্যায়ে নানা উপায়ে ঘটা সম্ভব— যেমন ঘটে আলাদা আলাদা ভাবে এক-একটা জীবের
মৃত্যুতে। কোনো ভাষার সূচনাকেও আর ধীরে‑ধীরে ঘটে যাওয়া কোনো প্রক্রিয়া হিসেবে
ভাবা যায় না, যেখানে এক ভাষার শব্দ ও ব্যাকরণ ধীরে
ধীরে চুঁইয়ে মেশে আরেক ভাষায়। আজ আমরা যে জগতে আছি সেখানে রয়েছে পরিবেশ বা
অর্থনীতির মতো এক-একটা বৃহদাকার সক্রিয় সচল সত্তা—এদের আচরণে যুগের পর যুগ হয়তো
বিশেষ কোনো অভিঘাতের ছাপ পড়ে না, তারপর আচমকাই
ঘটে যায় নাটকীয় পরিবর্তন। এখানে ভাষামৃত্যুর উপমা আর সেই ধীরসঞ্চার কোমল মৃত্যু
নয়— যেমনটা আমাদের নিজেদের বেলায় আমরা সকলেই আশা করি, অসুস্থ থাকার একটা পর্ব
পেরনোকেও হয়তো স্বীকার করে নিই। বরং এর তুলনা চলবে প্রজাতি‑বিলুপ্তির সঙ্গে। এবং
এর বিপরীত বিন্দুতেও নেই অপর কোনো ব্যক্তির জন্ম, বরং আছে এক নতুন প্রজাতির উদ্ভব। প্রজাতি‑উদ্ভব ও বিলুপ্তি—উভয়ই কোনো-না
কোনো বিশেষ ঘটনানির্ভর, এবং তা আচমকাই ঘটে যায়; অনেক সময় মাত্র এক প্রজন্মেই সেটা ঘটে, এক দীর্ঘ পর্ব জুড়ে স্থিতিশীল পরিবেশের মাঝে ছেদ
টানে অতর্কিতে।
কোনো
প্রজাতি অসুস্থ বা অযোগ্য বলে, বা তার
জীবনের নির্দিষ্ট সময়সীমা পূর্ণ হয়েছে বলেই, তার বিলুপ্তি ঘটে না। এটি ঘটে কারণ
পরিবেশ এত দ্রুত ও এত তীব্রভাবে বদলে যায় যে প্রজাতিটি আর মানিয়ে নিতে পারে না।
এর সঙ্গে তুলনীয় অবস্থাটা হল যেখানে কোনো বিশেষ ভাষাভাষী মানুষ এক সকালে ঘুম থেকে
উঠে দেখছে তাদের ভূমিটি আগ্রাসী বহিরাগতদের হাতে দখল হয়ে গেছে; এটাই এই
ধরনের পরিবর্তনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
পাংচুয়েটেড
ইকুইলিব্রিয়া‑র দৃষ্টিতে মিশ্র ভাষার আবির্ভাব ঘটে বিবর্তনের বিশাল সময়স্রোতে এক
ঝলক বিদ্যুতের মতো—যেমন ক্যারিবিয়ানে ক্রেওল ভাষাগুলো হঠাৎই প্রাণ পেয়েছিল। (...)
~
(...) কয়েক বছর আগে, জানুয়ারির বরফ-ঢাকা পথে আমি হাঁটছিলাম
লাটভিয়ার রাজধানী রিগার ঠিক বাইরে অবস্থিত মিউজিয়াম রিজার্ভ-এর ভেতর দিয়ে। জাদুঘরটা
এখন যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, সেখানেই একসময় ছিল লিভ-এর কাঠের দুর্গ, সেখানে বাস করত ‘লিভোনিয়ান
ব্রাদার্স অফ দ্য সোর্ড’। লিভোনিয়ান হল লাটভিয়ায় একদা প্রচলিত এক ভাষার নাম—আত্মীয়তার বিচারে সেটা
লাটভিয়ানের মতো ইন্দো‑ইউরোপীয় নয়, বরং ফিনো‑উগ্রিক পরিবারের, ফিনিশ ও এস্তোনিয়ানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ
সাদৃশ্য ছিল। দেখলাম, জাদুঘরের একটি ফলকে লেখা আছে শেষ যে-মানুষটির
জিহ্বায়
মাতৃভাষা ছিল লিভোনিয়ান, তিনি ২০১৩ সালের ২ জুন, ১০৩ বছর বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।
এক বৃদ্ধা মারা গেলেন, আর একটি ভাষা হারিয়ে গেল। কিন্তু লিভোনিয়ান জনগণ তো বিলুপ্ত হয়নি। তারা বেঁচে রইল আজকের লাটভিয়ান ভাষাভাষী মানুষ হয়ে। পুরোনো ভাষার চিহ্ন আজও টিকে আছে কিছু শব্দে, আর আছে সেই দ্বিমুখী বিবাদী স্বরভঙ্গি (two-way contrastive tone, চীনা ভাষার মতো) যা লাটভিয়ানকে আলাদা করে লিথুয়ানিয়ান ও আশপাশের স্লাভিক ভাষা থেকে, সেগুলো এরকম স্বরভঙ্গি‑ভিত্তিক ভাষা (tone language) নয়।
আমি যেন চোখের সামনে দেখতে পাই ঘটনাটা কীভাবে ঘটেছিল:
একদল পুরুষ এসে পৌঁছল ইন্দো‑ইউরোপীয় ভাষা নিয়ে—যেমনটা ঘটেছিল বৈদিক
ভারতে—স্থানীয় পুরুষদের একাংশকে নিকেশ করে স্থানীয় নারীদের সঙ্গে তারা পরিবার
গড়ল। তাদের সন্তানদের ‘মাতৃভাষা’ ছিল লিভোনিয়ান, কিন্তু নতুন ক্ষমতাধর শ্রেণির ভাষার সঙ্গে
খাপ খাওয়ানোর চেষ্টায় জন্ম নিল লাটভিয়ান—সে ভাষার ‘মাতৃকুলের’ দিকটা যেন
ইতিহাসের বিচারে আর ধর্তব্যই রইল না। অপর দিকে, দরিদ্রতর মানুষরা রয়ে
গেল সীমাপ্রাচীরের ওপরে— বহু শতাব্দী ধরে পুরোনো ভাষাটিই বলে চলল, কিন্তু দেখল তার গুরুত্ব
ক্রমশ কমে যাচ্ছে। অবশেষে তারাও নতুন ভাষা, লাটভিয়ান, গ্রহণ করল—পরিবর্তনশীল ভূমিতে নিজেদের
সন্তানদের জন্য ভালো সুযোগের আশায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, লাটভিয়ানরাই লিভোনিয়ান—যেমন আমরাও আমাদের
সমগ্র ইতিহাসের সমষ্টি, কেবলমাত্র
পিতৃকুলের কোনো এক শক্তিশালী পূর্বপুরুষের নাম বহন করা উত্তরসূরি নয়।
[রচনাটি Peggy Mohan-এর লেখা Wanderers, Kings, Merchants: The story of India through its languages (পেঙ্গুইন-ভাইকিং, ২০২১) বইয়ের The hidden story of Sanskrit অধ্যায়ের কিছু নির্বাচিত অংশের অনুবাদ। মূল অধ্যায়টির বিষয় সংস্কৃত ভাষায় দ্রাবিড় উচ্চারণের প্রভাব।
পেগি মোহন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ। তাঁর জন্ম ওয়েস্ট ইন্ডিজের
ত্রিনিদাদ-টোবাগো-য়। দিল্লি ইউনিভার্সিটিতে লিঙ্গুইস্টিকস পড়িয়েছেন। বর্তমানে অশোকা ইউনিভার্সিটির
ভিজিটিং প্রফেসর।]


No comments:
Post a Comment